Tuesday, 29 May 2018

তুমি ছাড়া কেউ নেই জীবনে আমার

তুমি ছাড়া কেউ নেই
জীবনে আমার
তোমাকে হারিয়ে দেখি
দু চোখে আধার
তুমি ছাড়া কেউ নেই জীবনে আমার
তোমাকে হারিয়ে দেখি
দু চোখে আধার
তুমি ছাড়া
কেউ নেই জীবনে আমার
জানি না তো কবে জে হবে
দু জনের দাখা
পথ চেয়ে দিন যায় আমার
আজ ও একা একা
ওও
তুমি যে আমার ওগো
আমি যে তোমার
তুমি ছাড়া কেউ নেই
জীবনে আমার
তোমাকে হারিয়ে দেখি
দু চখে আধার
তুমি ছাড়া কেউ নেই
জীবনে আমার

তোমার হাসিতে বধু জানি না কি আছে জাদু

তোমার হাসিতে বধু
জানি না কি আছে জাদু
বশ করে রেখেছ আমায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
তোমার হাসিতে বধু
জানি না কি আছে জাদু
বশ করে রেখেছ আমায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
আধো খানি চাঁদ ওই সারারাত জাগে
হৃদয়ের ঘরে তারি ছোঁয়া লাগে
এমনো হবে তা বুঝিনি তো আগে
নিজেকে হারাবো আমি এত অনুরাগে হায়...
পথ খুজি পথ যে হারায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
তোমার হাসিতে বধু
জানি না কি আছে জাদু
বশ করে রেখেছ আমায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
সোহাগেরই সুরে বুকে বাজে বীণা
মনে মনে শুনি কানে তো শুনি না
“আধো খানি চাঁদ ওই সারারাত জাগে
কোনো ভালবাসা এসে গেল কিনা হায়...
পথ খুজি পথ যে হারায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
তোমার হাসিতে বধু
জানি না কি আছে জাদু
বশ করে রেখেছ আমায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
পথ খুজি পথ যে হারায়
পথ খুজি পথ যে হারায়

Musical story তে আজ আপনাদের এক খুবই জনপ্রিয় একটা গানের গল্প বলবো,

Hi বন্ধুরা আমি অনন্ত নিয়ে এলাম আমাদের পেজ এর বিশেষ নিবেদন যার নাম "Musical story "
আজ আপনাদের এক খুবই জনপ্রিয় একটা গানের গল্প বলবো,
এখন যেমন সিডি, তার আগে ছিলো গ্রামোফোন আর তার ও আগে রেডিও তে হত লাইভ প্রোগ্রাম
সময় টা ৫০ এর দশক,  সেই সময়ের খুব জনপ্রিয় গায়ক, সুরকার ও গীতিকার মানবেন্দ্র মুখপাধ্যায় এর তিনটি লাইভ প্রোগ্রাম ছিলো একই দিনে আকাশবাণী তে, এখনকার ইডেনগার্ডেন এর আকাশবানী না, সেটা ছিলো ১নং গার্স্টিন প্লেস’ একে ‘১ নং ডাস্টবিন প্লেস’ বলেও অভিহিত করা হয়েছে কখন কখন। প্রোগ্রাম টা একটানা ছিলো না, কিছু টা ছেড়ে ছেড়ে ছিলো, সে দিন মানব বাবু অনুষ্ঠানের ফাঁকের টাইম গুলো তে বোর হবেন ভেবে সাথে নিলেন বন্ধু গীতিকার শ্যামল গুপ্ত কে। অনুষ্ঠানের ফাঁকে একটু আড্ডা দেওয়া যাবে।
রাত ৮:৩০ টায় রাগ প্রধান গানের অনুষ্ঠান শেষ হতেই মানব বাবু শ্যামল বাবু কে বললেন চলো একটু ছাদে ঘুরে আসি, রাত ১০:৪৫ এ মানব বাবুর আধুনিক বাংলা গানের অনুষ্ঠান আছে।
ছাদে গিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন গল্প করছেন দুজনে এমন সময় শ্যামল বাবু বললেন দাড়াও একটা নতুন গানেরকলি মাথার মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আগে লিখে নিই, প্রথম কয়েকটা লাইন লিখে মানব বাবু কে দেখালেন, মানব বাবু সেটা পড়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন, কিছুখন চুপ থেকে বললেন অসাধারন লেখা, তুমি আরও কয়েক লাইন লেখো এই গানটা আমি আজকেই গাইতে চাই,
যা কথা তাই কাজ, শ্যামল বাবু লেখায় মন দিলেন আর এদিকে মানব বাবু আগের লেখাটা জন্য সুর করতে লাগলেন, এই ভাবে কিছুটা করে লিখে শ্যামল বাবু খাতার পাতা ছিড়ে দিচ্ছেন আর মানব বাবু সুর করে চলেছেন। রাত প্রায় ৯:২৫ এ দুজনে নেমে এলেন ছাদ থেকে, হাতে তিনটে ছেঁড়া কাগজের টুকরো, দুজনেরই মুখে একটা খুশির আমেজ,
রাত ১০:৩০ টায় স্টুডিও তে ঢুকলেন, কথা ছিলো মানব বাবু দুটি গান গাইবেন, যুক্ত হল তিন নং গানটাও, শ্যামল গুপ্তের কথায় ও মানব বাবুর সুরে ও গানে শেষ হল আকাশবাণী এর তৃতীয় অধিবেশন। স্টুডিয়োর ভেতরে তখন দুজনেরই চোখে জল, সৃষ্টি এত আনন্দের হয়!!
সৃষ্টি হলো বাংলা রোমান্টিক গানে সর্ব কালের সেরা কালেকশন এর অন্যতম সেরা রোমান্টিক গানের,
যা সৃষ্টি হয়েছিল এক ঘন্টার ও কম সময়ে, বাংলা গানের জগতে এক ইতিহাস সৃষ্টি হল ১৯৫৭ সালের ৩০ জুলাই মঙ্গলবার। পরবর্তী কালে গ্রামোফোন কম্পানী তাদের শারদ অর্ঘে এই গানটি কে প্রকাশ করেছিলো।
এই এত পুরানো হয়ে ও আজ ও সবার মনে সমান ভাবে জায়গা করে নিয়েছে, তবে এই গান টা আমার মত আর ও অনেকেই প্রথম বার শুনে কুমার শানু এর গলায়। এবার বলে দেওয়া সময় হয়েছে আসলে কোন গানের কথা বলছিলাম। গানটি হল -

"আমি এত যে তোমায় ভালোবেসেছি তবু মনে হয় এ যানো গো কিছু নয়, কেন আরো ভালোবেসে যেতে পারেনা হৃদয়"
আজ এইটুকুই, আসি তবে, আবার এক musical story নিয়ে হাজির হব ঠিক এই দিনে এই সময়। সবাই ভালো থাকবেন, আর হ্যা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না কেমন লাগলো বা এই বিশেষ নিবেদন কেমন লাগে।
শেয়ার করে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিলে লেখাটা সার্থক হয়েছে ভাববো।
#anANta

Saathi tera pyar pooja hai

Saathi tera pyar pooja hai
Tere siwa kaun mera dooja hai yaar
O saathi ho ho
Ho mitawa ho ho
Saathi tera pyar pooja hai
Tere siva mera dooja hai yaar
Saathi tera pyar pooja hai
Tere siwa kaun mera dooja hai yaar

Kitno dino ke baad ye surat dekhi hai
Ek bhagwan ki tuti murat dekhi hai
Ho kitno dino ke baad ye surat dekhi hai
Ek bhagwan ki tuti murat dekhi hai
Pooja ke ye phool na bikhre
Pyar ki mala tute naa

Saathi tera pyar pooja hai
Tere siva kaun mera dooja hai yaar
Saathi tera pyar pooja hai
Tere siwa kaun mera dooja hai yaar

Kaas tuje mai apni umar ye de paati
Maut agar yun aati mar kar jee jaati
Kaas tuje mai apni umar ye de paati
Maut agar yun aati mar kar jee jaati
Chhute duniya par haatho se haath
Tera ye chhute na

Saathi tera pyar pooja hai
Tere siwa kaun mera dooja hai yaar
O saathi ho ho
Ho mitawa ho ho
Saathi tera pyar pooja hai
Tere siwa kaun mera dooja hai yaar.

নিথর জলের বুক ছোঁয়ে

নিথর জলের বুক ছোঁয়ে
তুমি ঢেউ তোলনা বধুঁয়া
মন করে তোলপার আমার নিতুয়া গো
নিথর জলের বুক ছোঁয়ে
তুমি ঢেউ তোলনা বধুঁয়া
মন করে তোলপার আমার নিতুয়া গো
নিথর জলের বুক
Interlude..............
আমি তোমার কে তাতো জানো না
তুমি উদাস কোন সুর যে অচেনা
উদাসীর বাঁশী ডাকে মেঁঘ চোখে বেদনা
অকালে শ্রাবন যেন মেলেছে যে ডানা
আলেয়ার আলো যেন সাঁঝের প্রদীপ নয়
নিথর জলের বুক ছোঁয়ে
তুমি ঢেউ তোলনা বধুঁয়া
মন করে তোলপার আমার নিতুয়া গো
নিথর জলের বুক
Interlude..............
ব্যথার বিষ তুমি খাবে কেন বলো
দুঃখের কাঁটা তুমি চাইবে কেন বলো
ভূলেও সে ভূল যেন করনা গো
জীবন নিয়ে আজ এমন খেলা কেনো
কাঁদে যখন মন কেও তো শুনেনা
নিথর জলের বুক ছোঁয়ে
তুমি ঢেউ তোলনা বধুঁয়া
মন করে তোলপার আমার নিতুয়া গো
নিথর জলের বুক
Interlude..............
ঘর বলো ওগো বাঁধবে কোথায়
লাগল আগুন যে ভাবেরি চিতায়
Interlude..............
ভালোবাসার তুমি জ্বেলোনা আগুন
শপ্নের ছাই দিয়ে লিখনা মাথায়
বালির উপর নাও চলেনাতো বধূয়া
নিথর জলের বুক ছোঁয়ে
তুমি ঢেউ তোলনা বধুঁয়া
মন করে তোলপার আমার নিতুয়া গো
নিথর জলের বুক ছোঁয়ে
তুমি ঢেউ তোলনা বধুঁয়া
মন করে তোলপার আমার নিতুয়া গো
নিথর জলের বুক

আঁধার আমার ভালো লাগে

থা - মুকুল দত্ত,
সুর - হেমন্ত মুখোপাধ্যায়,
কণ্ঠ - প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়

আঁধার আমার ভালো লাগে |
তারা দিয়ে সাজিও না আমার আকাশ |
আঁধার আমার ভালো লাগে |
রাতের গভীরে আজ, বঁধুয়ার পরশে
হাজার প্রদীপ যদি জ্বলে,
বঁধুয়ার পরশেতে জ্বলে যাবে এই রাত
রবে অনুরাগে ভালোবাসাতে |
সাজিওনা আমার আকাশ, যেন তারায় তারায়
ভালো লাগে তাইতো এ আঁধার |
আঁধার আমার ভালো লাগে |
তনুতটি সাজিয়ে আগুন বসে আছি
বসে আছি উতল এ মন নিয়ে |
জানি না তো বঁধুয়া মরণ রয়েছে লেখা
ভালোবেসে আজ এ রাতে
সাজিওনা আমার আকাশ যেন তারায় তারায়
ভালো লাগে জ্বলে যেতে বিষের জ্বালায়
আঁধার আমার ভালো লাগে |
তারা দিয়ে সাজিও না আকাশ |

.           *************************

Musical Story তে আজ তু চিজ বড়ি হ্যায় মাস্ত মাস্ত

hi বন্ধুরা, আমি অনন্ত এসে গেছি আমাদের পেজ এর বিশেষ নিবেদন Musical Story নিয়ে। আজ আপনা দের একটা খুব জনপ্রিয় হিন্দি গান নিয়ে কয়েকটা গল্প বলবো। তো শুরু করা যাক,

গান টা হল ১৯৯৪ সালের হিট ফ্লিম মোহরা এর খুবই জনপ্রিয় গান " তু চিজ বড়ি হ্যায় মস্ত মস্ত"

ফ্লিমের ডাইরেক্টর রাজিভ রাই, প্রডিউসার গুলশন রাই,  আর মিউজিক দিয়েছেন ভিজু সাহা,
story no.1
তো যে গানটার কথা বলছিলাম, আপনারা সবাই নিশ্চই অনেক বার শুনেছেন গানটা আর এটাও জানেন যে গান টা গেয়েছেন উদিত নারায়ন ও কবিতা জি। কিন্তু এটা অনেকেই জানেন না যে এই গান টা কিন্তু প্রথমে কুমার শানু কে দিয়ে গাওয়ানোর কথা ছিলো। মোহরা ফ্লিমের প্রডিউসারের খুব পছন্দের শিল্পী ছিলেন শানু দা, তার খুব ইচ্ছা গানটা শানু গাইবে, শানুর সাথে কথা ও হয়ে ছিলো কিন্তু বাধ সাদলো গানের মিউজিক ডাইরেক্টর ভিজু সাহা, শানু দা কে ভিজু সাহা ও খুব পছন্দ করতেন যদিও তার পর ও উনি সবাই কে বোঝালেন যে এই গানের মিউজিকে একটা ক্লাসিকাল গানের রেস আছে তাই এই গান টা এমন শিল্পী কে দিয়ে গাওয়ানো উচিৎ যিনি ক্লাসিকাল গানের তালিম নিয়েছেন,
আর ঠিক এই ব্যাপার টার জন্যই গান টা শানুদার থেকে উদিত জি গাওয়াটাই বেশি ভালো হবে বুঝে গুলশন জি রাজি হয়ে গেলেন উদিত জি কে দিয়ে গাওয়াতে।

story no. 2
বলিউডে বেশ কিছু অভিনেতা ও অভিনেত্রী আছেন যারা তাদের অভিনিত কোনো বিশেষ একটা গানের মাধ্যমে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন এবং সেই গান তাকে একটা নতুন নাম দিয়েছে, যেমন মাধুরী জি কে বলা হয়ে থাকে "ধক ধক গার্ল"
এই গানটার কারনে সবাই রাবিনা ট্যান্ডান কে নাম দিলেন "The mast mast girl"

story no.3
জানেন এই গানটার শুটিং এর সময় রাবিনা কিছুখনের জন্য অঞ্জ্যান হয়ে গিয়েছিলেন? হ্যা এটা ঠিক। আসলে এই গানের শুটিং এর আগের দিন রাবিনা তার অন্য একটা ফ্লিমে শুটিং এ ছিলেন যেটার জন্য রাত জাগতে হয়েছিলো আর ডেট না থাকায় সেখান থেকে সরাসরি এই শুটিং এ..
কিন্তু ওনার অভিনয়ের প্রতি dedication দেখুন, আধ ঘন্টার মধ্যে আবার শুটিং শুরু করে দিলেন।
story no. 4
অনেকেই জানেন না এই গানটার শুটিং এ মোট ৮টা ক্যামেরা ব্যাবহার করা হয়ে ছিলো যেটা সেই সময়ের হিসাবে একটা বিরল ঘটনা।

আজ এই পর্যন্ত, ভালো থাকবেন, ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করুন

#anANta