Monday, 25 June 2018

musical story তে আজ "ও কেন এত সুন্দরী হল.".

Hi বন্ধুরা আমি অনন্ত আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম আমাদের পেজ এর এক বিশেষ নিবেদন যার নাম " Musical story " এখানে পাবেন গান নিয়ে অনেক জানা অজানা গল্প, আজ নিয়ে এলাম এক কালজয়ী বাংলা গান কি ভাবে তৈরী হল তার গল্প নিয়ে। আসুন শুরু করা যাক-
এ গল্প সেই সময় কার যখন একটা ট্রেন্ড ছিলো দুর্গা  পুজোর সময় গায়করা এলবাম বের করতেন, যাকে বলা হত পুজোর গান..
তো সে বছর পুজো প্রায় এসেই পড়লো কিন্তু মান্না দে যে পুজো এলবাম বের করবেন তার গানই রেডি হয়নি। কি করা যায়? মান্না দা গেলেন পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় এর কাছে এবং কিছু একটা লিখতেই হবে বলে আবদার করলেন। কোনো কারনে পুলক বাবু লিখে উঠতে পারছিলেন না।
তো একদিন মান্না দে একটা পোগ্রাম করতে সিন্ধিয়া নামক এক খনি এলাকায় গেলেন, সাথে ছিলেন পুলক বাবু।
ওই এলাকার কাছাকাছি একটা জায়গায় পুলক বাবুর ভাইরা ভাই গৌরী সাধন মুখার্জী এর বাড়ি। পোগ্রাম শেষে পুলক বাবু গেলেন ভাইরা ভাই এর সাথে দেখা করতে। সাথে ছিলেন মান্না বাবু ও।
অনেক দিন পর যাচ্ছেন, তাই বাড়ি টা ঠিক করে চিন্তে পারছিলেন না, একটা বাড়ির সামনে গাড়ি থামিয়ে পুলক বাবু বললেন "আপনি গাড়িতেই বসুন আমি আগে দেখে আসি, মনে তো হচ্ছে এই বাড়িটাই"।

কিছুখন পর হন্তদন্ত হয়ে ফিরে এলেন গাড়িতে, আর এসেই বললেন " আপনার পুজোর গান রেডি"
মান্না দে তো পুরো অবাক, বললেন " এর মধ্যে কখন গান বানালেন? আমার সামনেই তো আপনি ওই বাড়ি টায় গেলেন, কলিং বেল বাজালেন, কে একজন বেড়িয়ে এসে কি সব যানো বললো আর আপনি ফিরে এলেন, এর মধ্যে গান!!!!

পুলক বাবু জানালেন উনি আসলে ভুল বাড়ি তে গিয়ে ছিলেন, আর সেই বাড়ির কলিং বেল বাজাতে যিনি বেড়িয়ে এলেন তিনি এলো চুলে কাপড় অতি সুন্দর এক রমনী, যাকে দেখা মাত্রই গানের কলি মাথায় এসে গেছে,
গান টা কি আপনারা জানেন?? মান্না দে এর গাওয়া খুব জনপ্রিয় গানের একটা এই গান টা।
সে দিন সেই মহিলা কে দেখ যে লাইন গুলো পুলক বাবু মাথায় প্রথম এসেছিলো সেটা হলো
"সবে যখন আকাশ জুড়ে মেঘ করেছে,
ঝড় ওঠেনি, বাতাস টা তে ঘোর লেগেছে,
ও কেন তখন, উড়িয়ে আঁচল, খোলা চুলে বাইরে এলো?
দেখে তো আমি মুগ্ধ হবই।
আমি তো মানুষ,
ও কেন এত সুন্দরী হল..

বন্ধুরা কেমন লাগলো? কমেন্টট করবেন কিন্তু।
আজ আসি, আবার একই দিনে একই সময় নিয়ে আসবো এমনই কোনো জানা অজানা গল্প। সবাই ভালো থাকবেন।
আমাদের ফেসবুক পেজে আসুন

nir choto khoti nei | নীড় ছোটো ক্ষতি নেই

নীড় ছোট ক্ষতি নেই,
আকাশ তো বড়।
নীড় ছোট ক্ষতি নেই,
আকাশ তো বড়।
হে মন বলাকা, মোর
অজানার আহবানে
চঞ্চল পাখা মেলে ধরো ।
নীড় ছোট ক্ষতি নেই,
আকাশ তো বড়।

চাঁদেরও আখরে ঐ
আকাশেরও গা’য়
চাঁদেরও আখরে ঐ
আকাশেরও গা’য়
যেন পালক লেখনি তব
প্রেমেরও কবিতা লিখে যায়।
সুদুর পিয়াসী পাখা
কাঁপে থর থর ।
হে মন বলাকা, মোর
অজানার আহবানে
চঞ্চল পাখা মেলে ধরো ।
নীড় ছোট ক্ষতি নেই,
আকাশ তো বড় ।

মেঘ রোদ সব বাধা পার হয়ে যাও।
তব ঐ দুটি ভীরু চোখে
ভূবনেরে নাও ভরে নাও ।
তাই দিয়ে আপনারে সুন্দর কর।
হে মন বলাকা, মোর
অজানার আহবানে
চঞ্চল পাখা মেলে ধরো।
নীড় ছোট ক্ষতি নেই,
আকাশ তো বড়।
হে মন বলাকা, মোর
অজানার আহবানে
চঞ্চল পাখা মেলে ধরো।
নীড় ছোট ক্ষতি নেই,
আকাশ তো বড়।

www.facebook.com/ganermajhetumi

বহুদূর থেকে এ কথা

বহুদূর থেকে এ কথা
ছবি-হীরক জয়ন্তী
শিল্পী-কিশোর কুমার
বহুদূর থেকে এ কথা,
দিতে এলাম উপহার।।
বহুদূর থেকে এ কথা
দিতে এলাম উপহার
তুমি যে আমার,
ওগো তুমি যে আমার
আ হা আ হা হা
আমার দু'চোখে জ্বালো,
তুমি যে নতুন আলো।।
যে দিকে তাকাই,
আমি দেখি তাই
তোমাকেই শুধু বারে বার।
বহুদূর থেকে এ কথা
দিতে এলাম উপহার
তুমি যে আমার,
ওগো তুমি যে আমার।
হো হো ও হো হো হো
আমার মাটির ভূমি,
স্বর্গ করেছ তুমি।।
ভরে গেল মন
ভরল জীবন
চাই না তো কিছু আর।
বহুদূর থেকে এ কথা
দিতে এলাম উপহার
তুমি যে আমার,
ওগো তুমি যে আমার।
হো হো ও হো হো হো হো
এ এ আ আ আ ও এ এ

www.facebook.com/ganermajhetumi

Khola khuli bolte gele/খোলাখুলি বলতে গেলে lyrics

খোলাখুলি বলতে গেলে ,
পরে গেছি তোর কবলে ,
তলিয়েছে মন , ভীষণ রকম ,অথৈ জলে ! - [ ২ বার ]

সাঁতার কেটেছি , ঘুমিয়ে হেঁটেছি ,
এতটা ডুবেছি , তোরি তো কারণে ,
তোকে ভালো বাসতে গিয়ে ... !

খোলাখুলি বলতে গেলে ,
পরে গেছি তোর কবলে ,
তলিয়েছে মন , ভীষণ রকম ,অথৈ জলে ! - [ ২ বার ]

কপাল গুনে , পেয়েছি তোকে সেই সব দিনে ,
যখন খালি বৃষ্টি ছাড়া , ছিলনা উপায় !

হো ... ও... একসাথে চল ,
পেরিয়ে যাবো জমানো জল ,
পথের ধারে পা ডুবিয়ে ,
কোথায় কোথায় .... !

সাঁতার কেটেছি , ঘুমিয়ে হেঁটেছি ,
এতটা ডুবেছি , তোরি তো কারণে ,
তোকে ভালো বাসতে গিয়ে ... !

খোলাখুলি বলতে গেলে ,
পরে গেছি তোর কবলে ,
তলিয়েছে মন,ভীষণ রকম ,অথৈ জলে !

বলা কওয়া,পেরিয়ে গেছি ধরা ছোঁয়ার ,
বাইরে এসে ধরা দে তুই , চুপটি করে !
ও... নিঝুম রাতের , জোছনা হয়ে আমার হাতে ,
পরে যায় সে নিজের মতন ,আমার ঘরে ...
সাঁতার কেটেছি , ঘুমিয়ে হেঁটেছি ,
এতটা ডুবেছি , তোরি তো কারণে ,
তোকে ভালো বাসতে গিয়ে ... !

খোলাখুলি বলতে গেলে ,
পরে গেছি তোর কবলে ,
তলিয়েছে মন,ভীষণ রকম ,অথৈ জলে !

খোলাখুলি বলতে গেলে ,
পরে গেছি তোর কবলে ,
তলিয়েছে মন , ভীষণ রকম ,অথৈ জলে ! - [ ২ বার ]

সাঁতার কেটেছি , ঘুমিয়ে হেঁটেছি ,
এতটা ডুবেছি , তোরি তো কারণে ,
তোকে ভালো বাসতে গিয়ে ... !

খোলাখুলি বলতে গেলে ,
পরে গেছি তোর কবলে ,
তলিয়েছে মন , ভীষণ রকম ,অথৈ জলে ! - [ ২ বার ]

কপাল গুনে , পেয়েছি তোকে সেই সব দিনে ,
যখন খালি বৃষ্টি ছাড়া , ছিলনা উপায় !

হো ... ও... একসাথে চল ,
পেরিয়ে যাবো জমানো জল ,
পথের ধারে পা ডুবিয়ে ,
কোথায় কোথায় .... !

সাঁতার কেটেছি , ঘুমিয়ে হেঁটেছি ,
এতটা ডুবেছি , তোরি তো কারণে ,
তোকে ভালো বাসতে গিয়ে ... !

খোলাখুলি বলতে গেলে ,
পরে গেছি তোর কবলে ,
তলিয়েছে মন,ভীষণ রকম ,অথৈ জলে !

বলা কওয়া,পেরিয়ে গেছি ধরা ছোঁয়ার ,
বাইরে এসে ধরা দে তুই , চুপটি করে !
ও... নিঝুম রাতের , জোছনা হয়ে আমার হাতে ,
পরে যায় সে নিজের মতন ,আমার ঘরে ...
সাঁতার কেটেছি , ঘুমিয়ে হেঁটেছি ,
এতটা ডুবেছি , তোরি তো কারণে ,
তোকে ভালো বাসতে গিয়ে ... !

খোলাখুলি বলতে গেলে ,
পরে গেছি তোর কবলে ,
তলিয়েছে মন,ভীষণ রকম ,অথৈ জলে !

Wednesday, 13 June 2018

আকাশ এত মেঘলা

আকাশ এতো মেঘলা যেও নাকো একলা
এখনি নামবে অন্ধকার
ঝড়ের জল-তরঙ্গে নাচবে নটি রঙ্গে
ভয় আছে পথ হারাবার ।।

গল্প করার এইতো দিন
মেঘ কালো হোক মন রঙিন ।।
সময় দিয়ে হৃদয়টাকে বাঁধবো নাকো আর

আকাশ এতো মেঘলা যেও নাকো একলা
এখনি নামবে অন্ধকার
ঝড়ের জল-তরঙ্গে নাচবে নটি রঙ্গে
ভয় আছে পথ হারাবার ।

আঁধারো ছায়াতে চেয়েছি হারাতে
দু’বাহু বাড়াতে তোমারি কাছে ।।
যাক না এমন এইতো বেশ
হয় যদি হোক গল্প শেষ ।।
পূর্ন হৃদয় ভুলবে সেদিন সময় শূন্যতার ।

আকাশ এতো মেঘলা যেও নাকো একলা
এখনি নামবে অন্ধকার
ঝড়ের জল-তরঙ্গে নাচবে নটি রঙ্গে
ভয় আছে পথ হারাবার

আজ তবে এইটুকু থাক

আজ–তবে এইটুকু থাক।
বাকি কথা পরে হবে।
ধূসর ধূলির পথ–
ভেঙে পড়ে আছে রথ–
বহুদূর– দূর যেতে হবে।
আজ তবে এইটুকু থাক?
বাকি কথা পরে হবে–
সবুজ সবুজে মেশা নীল নীলিমায়–
পাবে না আমায়।
গোধুলীর ছায়াপথে
খুঁজো না আমায়।
সবুজ সবুজে মেশা নীল নীলিমায়–
পাবে না আমায়।
গোধুলীর ছায়াপথে
খুঁজো না আমায়।
শরতের কোন এক নাম না জানা গাঁয়
শিউলীর ফুল যেথা
ঝরে ঝরে যায়–
কিশোরী মনের মত–
দু’টি চোখে অবনত–
না গাওয়া যে গান হয়ে রবে…
আজ তবে এইটুকু থাক?
বাকি কথা পরে হবে।
তখন অন্য মন অন্য আশা,
অন্য ভাষা।
জানি না কি রূপ নেবে ভালবাসা।
তখন অন্য মন অন্য আশা,
অন্য ভাষা।
জানি না কি রূপ নেবে ভালবাসা।
তুমি যদি মনে মনে মগ্ন হয়ে–
ফুলের শিশু হয়ে রও ঘুমিয়ে।
আমি সূর্যের হয়ে তোমাকেই যাব ছুঁয়ে–
সে কথা কি ভুল হয়ে যাবে?
আজ তবে এইটুকু থাক?
বাকি কথা পরে হবে।

Sunday, 3 June 2018

শুভ জন্মদিন বালাসুব্রমনিয়াম

বালাসুব্রমনিয়াম ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের নাগরি চিচিতুর জেলার একটি তেলুগু ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 4th jun 1946. বালাসুবব্রামানিয়ামের পিতা ছিলেন হরিকাত শিল্পী যিনি নাটকগুলিতে অভিনয় করতেন। তার দুই ভাই এবং পাঁচটি বোন রয়েছে, সহ গায়ক এসপি সিলাজা

বালাসুবব্রমন্যিম বাল্যবিবাহের প্রারম্ভিক যুগে সংগীত প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন, নাটকগুলি অধ্যয়ন করেন এবং সঙ্গীত শিখে থাকেন। প্রকৌশলী হওয়ার জন্য তিনি প্রকৌশলী অনিতাপুরের জেটিটিউ কলেজে ভর্তি হন। টাইফয়েডের কারণে তিনি তার পড়াশোনা বন্ধ করে দিয়েছিলেন এবং ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, চেন্নাইয়ের সহযোগী সদস্য হিসেবে যোগদান করেছিলেন।

তিনি তাঁর ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাডিজের সময় সঙ্গীত অনুসরণ করেন এবং গানে প্রতিযোগিতায় পুরস্কার লাভ করেন। 1964 সালে, তিনি মাদ্রাজ-ভিত্তিক তেলেগু সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজিত অপেশাদার গায়কদের জন্য একটি সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার জিতেছেন। তিনি অঞ্ফতার (হারমোনিয়াম), ইলিয়াহারাজ (গিটার এবং পরবর্তীতে হারমোনিয়াম), বাক্কার (পিকসেশন) এবং গঙ্গাই অমরান (গিটার) নিয়ে গঠিত একটি হালকা মিউজিক ট্রুপের নেতা ছিলেন।  তিনি একটি গায়ক প্রতিযোগিতায় সেরা গায়ক হিসাবে নির্বাচিত হন, যার মধ্যে এসপি কোডডাপানি ও ঘন্থশালার বিচার ছিল। বেশিরভাগ সময় সুযোগ সন্ধানের জন্য সংগীত সংগীত সংগীতের জন্য তাঁর প্রথম অডিশন গান ছিল "নিলভ এনিনিডম নেরুঙ্গ্যাধে"। এটি  প্লেব্যাক গায়ক পি.বি. শ্রীনিবাসের দ্বারা উপস্থাপিত হয়েছিল, যিনি তেলেগু , তামিল , হিন্দি , কন্নড় , মালায়লাম , সংস্কৃত , ইংরেজী  ও উর্দুতে বহুভাষিক আয়াত লিখেছিলেন এবং তাকে দিয়েছিলেন।

তিনি কোন গায়ক দ্বারা একক দিনে সবচেয়ে বেশি গান রের্কড এর বিরল নজির গড়েছেন(পরে সেটি কুমার শানু ভেঙে দেন)। তিনি কনফারেন্সের উপেন্দ্র কুমারের জন্য 21 টি গান রেকর্ড করেছেন, 8 ফেব্রুয়ারি, 1981 সালে 9 টা থেকে রাত 9 টা পর্যন্ত, এবং তামিল ভাষায় 19 টি, হিন্দিতে 16 টি গান এক উল্লেখযোগ্য সাফল্য এবং একটি রেকর্ড। ।  তিনি একটি ক্রমবর্ধমান পেশা প্রতিষ্ঠা। তার কথায় "এমন দিন ছিল যখন আমি 15-20 টি গান রেকর্ড করতাম,

তিনি চলচ্চিত্র স্কোরের সর্বাধিক সংখ্যক রেকর্ড করার  জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সাথে সম্মানিত।  ২01২ সালে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর অবদানের জন্য রাজ্য নন্দামুড়ি তারক রাম রাও জাতীয় পুরস্কার পান।  2016 সালে, তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বের সাথে সম্মানিত হয়েছেন যিনি সিলভার ময়ুর প্যাডেলের অন্তর্ভুক্ত।  তিনি ভারত সরকারের পদ্মশ্রী (২001) এবং পদ্মভূষণ (২011) -এর মতো নাগরিক পুরস্কার লাভ করেন।